Skip to main content

ফেসবুকে অ্যাড দেয়ার যেই ১০টি নিষেধাজ্ঞা আপনার জানা উচিত



ফেসবুক হচ্ছে অনলাইন মার্কেটিং এর জন্য সবচেয়ে বড় সোশ্যাল মিডিয়া। ফেসবুকের জনপ্রিয়তার সাথে সাথে মার্কেটিং এর সুযোগও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেসবুক হল একমাত্র সোশ্যাল মিডিয়া যেখানে সবধরনের কাস্টমারদের সহজেই পাওয়া যায়। আপনি যেকোন ব্যবসায় করেন না কেন তার প্রচার এবং প্রসারের জন্য খুব সহজে ফেসবুক কে ব্যবহার করতে পারবেন।


ফেসবুকে ব্যবসায় প্রচারের জন্য একটি বিশেষ সার্ভিস হল ফেসবুক অ্যাড। ফেসবুক যেমন দিনে দিনে সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, ঠিক তেমনি ব্যবসায়ি বা অনলাইন মার্কেটারদের কাছেও ফেসবুক অ্যাড জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তার কিছু বিশেষ কারণও রয়েছে। একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে ফেসবুক অ্যাড। ফেসবুক অ্যাড দিয়ে যে কোন দেশের যে কোন বয়সের এবং পেশার মানুষকে টার্গেট করে বিজ্ঞাপন দেয়া যায়।


তবে যে কোন পণ্য বিক্রয়ের জন্য ইচ্ছে মত অ্যাড তৈরি করলে ফেসবুক তা গ্রহন করে না। অ্যাড তৈরি করার পূর্বে অবশ্যই কিছু বিষয় মেনে অ্যাড তৈরি করতে হয়। তানা হলে ফেসবুক সেই অ্যাড এর অনুমোদন দেয় না। প্রায়ই দেখা যায় অনেকের অ্যাড অনুমোদন পায় না। অ্যাড তৈরি করার আগে অ্যাড গ্রহন না করার কারণ গুলো অবশ্যই জানা প্রয়োজন ।


ফেসবুক প্রত্যেকটি অ্যাড রিভিউ করার সময় খুব ভালো ভাবে দেখে যে ফেসবুকের অ্যাড পলিসিগুলো মেনে অ্যাড দেয়া হয়েছে কি না।


মূলত ফেসবুক যেসব বিষয় গুলো দেখে থাকে তা হলোঃ


১। অ্যাডে ফেসবুক কথাটি উল্লেখ থাকাঃ আমাদের মাঝে মাঝে অ্যাডে ফেসবুক কথাটি উল্লেখ করতে হয়। সেক্ষেত্রে ফেসবুক শব্দটি অবশ্যই শুরু করতে হবে বড় হাতের “F”দিয়ে। মনে রাখবেন, ফেসবুক শব্দের জায়গায় ফেসবুক এর লোগো ব্যবহার করা যাবে না।


২। কিছু অ্যাড অনুমোদন পায় না কারণ অ্যাড দেওয়া পণ্যের সাথে বয়সসীমা ঠিক নয়। অর্থাৎ অ্যাডটি যারা দেখবে তাদের বয়সের জন্য উপুযুক্ত নয়। যেমনঃ যদি কোন এলকোহল এর অ্যাড বাচ্চাদের জন্য দেওয়া হয় তখন ফেসবুক সেই অ্যাড অনুমোদন দেয় না। আবার কখনো কখনো


৩। অ্যাড এর কন্টেন্ট কোন অবৈধ পণ্য/সেবা বা কার্যক্রম প্রচার করে এমন হওয়া যাবে না। যেমনঃ আপনি যদি USA –এ কোন অ্যাড দিতে চান এবং সেই অ্যাড USA সংবিধান বিরোধী তাহলে ফেসবুক আপনার অ্যাড গ্রহন করবে না। অথবা আপনি কোন নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রির জন্য একটি অ্যাড তৈরি করলেন, আপনি অন্যান্য সকল নীতিমালা মেনে চললেও আপনার অ্যাড অনুমোদন পাবে না।


৪। অ্যাডে প্রেসক্রিপশন, মাদক, অনিরাপদ খাবার ইত্যাদি এর বিজ্ঞাপন দেয়া যাবে না ।


আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কিত
বা ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেইনিং করতে আগ্রহী থাকেন
বা এস.কে নেটওয়ার্ক

থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চান তবে এই নাম্বারে কল দিন ০১৭১৪৭৮০০৫০


৫। অস্র বা বোমা জাতীয় কোন ছবি দেয়া যাবে না।


৬। এখন বাচ্চা থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সকল ধরনের মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। তাই ফেসবুক  যে কোন প্রকার এডাল্ট পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন দেয়া যাবে না।


৭। এমন কোন ছবি যা মানুষকে ভিত করে তুলে তা দেয়া যাবে না। যেকোন প্রকার ভয়ানক ছবি যেমনঃ কোন গাড়ির দূর্ঘটনার ছবি, রক্তাক্ত ছবি বা যুদ্ধ বিধস্ত যে কোন ভয়ানক ছবি ইত্যাদি দিয়ে অ্যাড করা যাবে না।


৮। ভিডিও এর প্লে আইকন ছবিতে থাকা যাবে না ।


৯। কপিরাইট করা কোন ছবি দেয়া যাবে না । অর্থাৎ অন্যের ছবি ব্যবহার করে কোন অ্যাড তৈরি করা যাবে না। নিজের পণ্যের অথবা নতুন কোন ছবি তৈরি করে তা দিয়ে অ্যাড তৈরি করতে হবে।


১০। আগের এবং পরের (Before-After) এমন বিষয় নিয়ে কোন ছবি দেয়া যাবে না।


এসব বিষয় গুলো আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে । মাঝে মাঝে এসব কোন নিয়ম অমান্য করা হলে শুধুমাত্র এড ব্লক করে দেয়, আবার অনেক সময় ফেসবুক চাইলে আপনার এড অ্যাকাউন্টটাই ব্লক করে দিতে পারে। তারা যেকোনো মুহূর্তে তাদের ইচ্ছায় আপনাকে না জানিয়ে আপনার এড বন্ধ বা এড অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারে। তাই সবসময় সতর্ক থাকা উচিত। কারণ ফেসবুক অ্যাড অনলাইন মার্কেটিং এর জন্য খুবই প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা অনলাইনের উপর ভিত্তি করে ব্যবসায় পরিচালনা করেন তাদের জন্য ফেসবুক অ্যাড একাউন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সবার উচিত হবে ফেসবুকের সকল নীতি মেনে অ্যাড পরিচালনা করা।

Comments

Popular posts from this blog

*** আইটি কি (What is IT?)

*** আইটি কি (What is IT?) আইটির পূর্ন নাম হল ইনফোরমেশন টেকনোলজি। আর তার সংক্ষিপ্ত নাম হল আইটি( IT)। ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইটি) হল কম্পিউটার বা অন্য কোন সংস্থার প্রসঙ্গে ডেটা বা তথ্য সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, ট্রান্সমিট এবং ম্যানিপুলেশন। আইটি তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) একটি উপসেট বলে মনে করা হয়। মেসোপটেমিয়ায় সুমেরীয়রা প্রায় 3000 খ্রিস্টপূর্বাব্দে লিখিত লেখার পর মানুষ সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, হস্তক্ষেপ এবং তথ্য যোগাযোগ করেছে। কিন্তু তার আধুনিক অর্থে শব্দ তথ্য প্রযুক্তি প্রথম হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ প্রকাশিত একটি 1958 নিবন্ধে হাজির; লেখক হ্যারল্ড জে। লিভিট এবং টমাস এল। ভিস্লার মন্তব্য করেছেন যে, "নতুন প্রযুক্তিটি এখনও একটি প্রতিষ্ঠিত নাম নেই। আমরা এটি তথ্য প্রযুক্তি (IT) বলব।" তাদের সংজ্ঞা তিনটি বিভাগ রয়েছে: প্রক্রিয়াকরণের জন্য কৌশল, সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পরিসংখ্যানগত এবং গাণিতিক পদ্ধতি প্রয়োগ, এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামগুলির মাধ্যমে উচ্চতর অর্ডারের সিমুলেশন। শব্দটি সাধারণত কম্পিউটার এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলির সমার্থক হিসাবে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি অন্যান্য তথ্য বি...

IT SERVICE PROVIDER*** আইটি কি (What is IT?)

আগের পার্টে আমরা আইটি কি, কম্পিউটার প্রযুক্তির ইতিহাস, আইটির কাজ কি, সার্ভিস প্রোভাইডার, আইটি সার্ভিস প্রোভাইডার কি, সার্ভিস প্রোভাইডারের ব্যাখ্যা, সেবা প্রদানকারীর প্রকারভেদ সম্পর্কে আলোচনা করেছিলাম। আজকে সার্ভিস প্রোভাইডারের মধ্যে যে চারটি সার্ভিসের কথা বলা হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করব। সার্ভিস চারটি হলঃ ১। টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডার (টিএসপি) , ২। অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডার (এএসপি) , ৩। স্টোরেজ সার্ভিস প্রোভাইডার (এসএসএপি) এবং ৪। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) এই চারটি বিষয় সম্পর্কেও আলোচনা করব। আসলে তারা কি কি কাজ করে। নিচে তা আলোচনা করা হলঃ- ***১।টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডার (টিএসপি) :- (Telecommunication Service Provider (TSP) ) একটি টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডার (টিএসপি) হল এক ধরনের যোগাযোগ পরিষেবা প্রদানকারী যা ঐতিহ্যগতভাবে টেলিফোন এবং অনুরূপ সেবা প্রদান করে। এই বিষয়শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত অন্তর্ভুক্ত স্থানীয় এক্সচেঞ্জ ক্যারিয়ার, প্রতিযোগী স্থানীয় বিনিময় ক্যারিয়ার, এবং মোবাইল বেতার যোগাযোগ কোম্পানি। যদিও কিছু লোক "টেলিকম ...

অনলাইনে ব্যবসা : মার্কেটিং এর A টু Z

 সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় উপস্থিতিঃ অনলাইনেই ঘর, অনলাইনেই বসতি Facebook Account & Facebook Fan Page: নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং আপনার ব্যবসার ফেসবুক পেজে বন্ধু বা ফলোয়ার বাড়ানোর চেষ্টা করুন। ফেসবুকে নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পণ্যের লিঙ্ক শেয়ার করুন। LinkedIn : লিঙ্কডইনে নিজের ব্যক্তিগত এবং ব্যবসার প্রোফাইল খুলুন এবং সব ধরণের তথ্য সহ হালনাগাদ রাখুন। নিয়মিত পণ্যের লিঙ্ক শেয়ার করুন। Youtube : ইউটিউবে ব্যবসার চ্যানেল খুলতে পারেন। সেখানে আপনার পণ্যের রিভিউ, ব্যবহারবিধি, কাস্টমার ফিডব্যাক ইত্যাদির ভিডিও কন্টেন্ট আপলোড করতে থাকুন এবং নিয়মিত অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে সেগুলো শেয়ার করুন। Twitter : টুইটারে নিজের এবং কোম্পানির অ্যাকাউন্টে ফলোয়ার বাড়ানোর চেষ্টা করুন এবং নিয়মিত পণ্যের লিঙ্ক শেয়ার করুন। হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নিজের পণ্যকে আরো নির্দিষ্ট করে ভিজিটরদের কাছে তুলে ধরুন। Instagram : ইনস্টাগ্রাম ইদানিং খুব জনপ্রিয়। নিজের এবং ব্যবসার অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত পণ্যের ছবি এবং লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন। আর এখানে যেহেতু ছবির গুণগত মান বেশ সমৃদ্ধ তাই আকর্ষণীয় ছবি আপলোড করু...